সর্বশেষ নিবন্ধ

৪৭তম বিসিএসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থীর সাফল্য

  কুবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে সারা দেশে এক হাজার ৫২১ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে এক হাজার ৩২০ জন বিভিন্ন ক্যাডারে এবং ২০১ জন নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ পেয়েছেন। এ ফলাফলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিভিন্ন বিভাগের ছয়জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে শিক্ষা ক্যাডারে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী পাপ্পু সরকার এবং অর্থনীতি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শারমিন বৃষ্টি। কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রনি দাস। পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কাজী নিহাল হাসনাইন। সাধারণ শিক্ষা (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন একই শিক্ষাবর্ষের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী আসগর আলী শামীম। এছাড়া বাংলাদেশ প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজিদ শান্ত। শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শারমিন বৃষ্টি বলেন, ‘৪৭তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হতে পেরে তিনি মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ। এই অর্জনের পেছনে তাঁর পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবদান অপরিসীম। ভবিষ্যতে একজন সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল শিক্ষক হিসেবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করতে চান এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।’ সাধারণ শিক্ষা (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী আসগর আলী শামীম বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি ৪৭তম বিসিএসে সাধারণ শিক্ষা (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর আগে ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (এডি) পদেও সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তিনি বলেন, শুরু থেকেই তিনি তথাকথিত মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন না। তবে ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং কৌশলগত প্রস্তুতির মাধ্যমেই এ সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি আরও বলেন, এই অর্জনের পেছনে বাবা-মা, পরিবারের সদস্য, শিক্ষক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও অনুপ্রেরণা সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল। কর্মজীবনে দেশের উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে সবার কাছে দোয়া কামনা করেন। শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী পাপ্পু সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগদান করা। ৪৭তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সামাজিক মর্যাদা ও আত্মতৃপ্তি অর্জনের পাশাপাশি পরিবারের স্বপ্ন পূরণ এবং জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে শিক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ পাওয়াই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

গোবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগের ২৪ শিক্ষার্থীকে গুণীজন সাইদুর রহমান (চাঁদ মিয়া)–তাহমিনা বেগম ট্রাস্টের বৃত্তি প্রদান

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইতিহাস বিভাগের উদ্যোগে ‘গুণীজন সাইদুর রহমান (চাঁদ মিয়া)–তাহমিনা বেগম ট্রাস্ট’-এর বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। ইতিহাস বিভাগের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবিকী অনুষদের ডিন সুকান্ত বিশ্বাস। অনুষ্ঠানের স্মারক বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোছাঃ সানজীদা পারভীন। এইদিন মেধা ক্যাটাগরিতে ২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুইজনকে জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা, তিনজনকে জনপ্রতি ৫ হাজার এবং ১৯ জনকে জনপ্রতি ৪ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ৩ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, “বৃত্তির ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ বড় বিষয় নয়; বৃত্তি অর্জন করাটাই মুখ্য বিষয়। আমাদের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমি ১২টি বৃত্তি পেয়েছিলাম, যা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দের। যারা বৃত্তি পেয়েছ, তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আর যারা এবার বৃত্তি পাওনি, তাদের প্রতি প্রত্যাশা থাকবে—ভালোভাবে পড়াশোনা করে আগামীতে তোমরাও বৃত্তি অর্জন করবে। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ আগের মতো নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমরা শিখতে এসেছ, আর শেখার জন্য প্রচুর বই পড়তে হবে। বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।” অনুষ্ঠানে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানারাত ইউনিভার্সিটি ও যুক্তরাজ্যের মার্কফিল্ড ইনস্টিটিউটের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আন্তর্জাতিক শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (এমআইইউ) এবং যুক্তরাজ্যের মার্কফিল্ড ইনস্টিটিউট অব হায়ার এডুকেশন (এমআইএইচই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। রোববার (২৮ জুন ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের গুলশান ক্যাম্পাসে উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এতে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুর রব এবং এমআইএইচই-এর পক্ষে রেক্টর ড. জাহিদ পারভেজ স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা স্মারকের আওতায় উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, শিক্ষক দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি, যৌথ সেমিনার, কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনসহ বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমে দুই প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতা করবে। এছাড়া ইসলামিক স্টাডিজ, ইসলামিক ফাইন্যান্স এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যৌথ গবেষণা, জ্ঞানচর্চা ও একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনেও উভয় প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করবে। চুক্তি অনুযায়ী, এমআইইউ থেকে মনোনীত যোগ্য শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এমআইএইচই-এর যুক্তরাজ্য স্বীকৃত ডিগ্রি প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ডক্টর ও পোস্ট-ডক্টরাল গবেষকদের একাডেমিক বিনিময় কার্যক্রমও পরিচালিত হবে। পাঁচ বছর মেয়াদি এ সমঝোতা স্মারক নবায়নযোগ্য। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতায় উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজনেস অ্যান্ড ইকোনোমিকস অনুষদের ডিন মো. মাহবুব আলম, আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ অনুষদের ডিন ড. আবু আইয়ুব মো. ইব্রাহিম, রেজিস্ট্রার এ. এইচ. এম. আবু সাঈদ, সেন্টার ফর জেনারেল এডুকেশনের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সহযোগী অধ্যাপক ড. সাবিহা সুলতানা, ইসলামিক ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. তাসলিমা জুলিয়া, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের মানবাধিকারকর্মী সাইফুদ্দিন আহমদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই বিপ্লব স্মরণে ছাত্রশিবিরের কর্মসূচি ঘোষণা

‘জুলাইয়ের অঙ্গীকার, ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ২৯ জুন, সোমবার সকাল ১১.৩০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। ​সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, মিডিয়া সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, শিল্প ও সংস্কৃতি সম্পাদক আবু মুসা, কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী, ফাউন্ডেশন সম্পাদক আব্দুল মোহাইমেন, প্রচার সম্পাদক ও ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ঘোষিত কর্মসূচি: ১. গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী ‘অদম্য জুলাই’ শিরোনামে মাসব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন। ২. রক্তাক্ত জুলাইয়ের স্মৃতি নিয়ে গল্প, উপন্যাস, গবেষণা প্রবন্ধ ও সাময়িকী প্রকাশ। ৩.রাজধানীতে “শিশুদের চোখে জুলাই জাগরণ” শীর্ষক প্রদর্শনীর আয়োজন। ৪. “জুলাই জাগরণ” ডকুফিল্ম প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী আয়োজন। ৫. সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, রিসার্চ কনফারেন্স, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন। ৬. সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক প্লেসে “জুলাইয়ের অঙ্গীকার, ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণ” শীর্ষক আলোকচিত্র ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা আয়োজন। ৭. জুলাইয়ের স্মৃতি বলা, স্মৃতিলিখন, বক্তব্য, রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা প্রভৃতি আয়োজন। ৮. নিজ নিজ জেলায় শহীদদের নামে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা। ৯. “জুলাই শহীদ স্মৃতি” ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন। ১০. শহীদ পরিবার, আহত ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী গাজীদের নিয়ে “লাল জুলাই” শীর্ষক সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও পডকাস্টের আয়োজন। ১১. শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময়। ১২. জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন। “Echoes of July” শিরোনামে ৩৬ দিনব্যাপী অনলাইন ক্যাম্পেইন পরিচালনা। জুলাইয়ের আত্মত্যাগ, চেতনা এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে ছাত্রশিবিরের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, মহানগর ও জেলা শাখার প্রতি ঘোষিত কর্মসূচিসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

কুবিতে পর্দা নামল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মডেল ইউনাইটেড নেশনস সম্মেলনের

  কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) মডেল ইউনাইটেড নেশনস অ্যাসোসিয়েশন (CoUMUNA)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মডেল ইউনাইটেড নেশনস সম্মেলন-২০২৬। এতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন ও বায়োস্টসহ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪৫ জন তরুণ প্রতিনিধি অংশ নেন। শুক্র ও শনিবার ( ২৬ ও ২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয় এই আয়োজন। যুক্তির তলোয়ার আর কূটনীতির ঢাল হাতে দুই দিন লড়েছেন তারা। কেউ হয়েছেন রাশিয়ার প্রতিনিধি, কেউ সৌদি আরবের, আবার কেউ কোনো ছোট্ট দেশের একমাত্র কণ্ঠস্বর। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুম যেন দুই দিনের জন্য পরিণত হয়েছিল ছোট্ট এক জাতিসংঘে। সম্মেলনে দুটি কমিটিতে চলে প্রাণবন্ত আলোচনা। ডিসআর্মামেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটিতে (DISEC) বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আগাম সামরিক পদক্ষেপের কৌশলগত প্রভাব। অন্যদিকে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনে (OIC) উঠে আসে প্রক্সি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্ভাবনা। দুই দিনে মোট আটটি দীর্ঘ কমিটি সেশনে প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরেন, প্রতিপক্ষের যুক্তি খণ্ডন করেন এবং বিভিন্ন জোট গঠনের চেষ্টা করেন। ২৭ জুন বিকেলে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের পর্দা নামে। বেস্ট ডেলিগেট, আউটস্ট্যান্ডিং ডেলিগেট ও স্পেশাল মেনশন ক্যাটাগরিতে সেরাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হলে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো কনফারেন্স কক্ষ। সম্মেলনের সার্বিক নেতৃত্বে ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল সাবিকুন নাহার, ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মো. শিহাব উদ্দিন আহম্মেদ আশিক এবং ডিরেক্টর জেনারেল মো. মাইনুল ইসলাম। DISEC কমিটি পরিচালনায় ছিলেন চেয়ারপারসন ইমতিয়াজ আহমেদ চিন্ময়, ভাইস-চেয়ারপারসন তাহমিদ তাজওয়ার এবং রিপোর্টার শাহরিয়ার আহমেদ রামিম। ওআইসি কমিটির দায়িত্বে ছিলেন মো. তারেক মুক্তার, মেহেদী হাসান আবির এবং রুবাইয়া সুলতানা সাথী। সফল এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে আয়োজকরা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক মানের সম্মেলন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করছে। তরুণ প্রজন্মকে বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে বলেও সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সমাপনী বক্তব্যে সেক্রেটারি জেনারেল সাবিকুন নাহার বলেন, “মডেল ইউনাইটেড নেশনস শুধু একটি সম্মেলন নয়; এটি তরুণদের নেতৃত্ব, কূটনৈতিক চিন্তাভাবনা, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম। আমরা আশা করি, এই আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”

৪৭ তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ

৪৭ তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৪ এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। রোববার বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুমা আফরীন সাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এতে মোট ১ হাজার ৩২০ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়। প্রকাশিত এই ফল অনুযায়ী, ১ হাজার ৩২০ জনকে ক্যাডার এবং ২০১ জনকে নন-ক্যাডার পদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৮শে নভেম্বর ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পিএসসি। ২০২৫ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর ৪৭তম প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার মাত্র ৯ দিন পরই ফল প্রকাশ করে রেকর্ড গড়ে পিএসসি। একই বছরের ২৭শে নভেম্বর থেকে ১৮ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত ৭ই এপ্রিল লিখিত পরীক্ষার ফলে উত্তীর্ণ হন ৩ হাজার ৬৩১ জন প্রার্থী।

শিক্ষাছুটি শেষে না ফেরায় গোবিপ্রবির ১৬ শিক্ষক চাকরিচ্যুত

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান না করায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৬ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আজ রবিবার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। অফিস আদেশের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/১০ নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান করা এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পত্রের মাধ্যমে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কর্মস্থলে যোগদান না করায় তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। চাকরিচ্যুত শিক্ষকগণ হলেন, ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম, আশরাফুল হোসেন হাওলাদার, সহকারী অধ্যাপক পান্থ প্রতিম সরকার, একই বিভাগের প্রভাষক মো. আহসানউল্লাহ, মো. খায়রুল বাশার ও উপমা দাস, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাকলী খাতুন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ময়মুনা বেগম কলি, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবব্রত পাল, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রুবাইয়াৎ রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিয়া নাহিয়ান জুলফিকার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক অধরা তাহ্সিন, অ্যাপ্লাইড কেমিস্টি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জল হুসাইন, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাবিয়া খাতুন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাকরিচ্যুত শিক্ষকগণের শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদানের জন্য তাদের বারবার লিখিতভাবে জানানো হয়। কিন্তু তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া না দেয়ায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়। অফিস আদেশে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটিকালীন আহরিত সমুদয় অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দেয়ার নির্দেশও প্রদান করা হয়েছে।

পিএইচডি স্কলারশিপ অনিয়মের অভিযোগে গোবিপ্রবির জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য সচিবের চাকরিচ্যুতি

মো:তাছিন জায়েফ,গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের (সাদা দল) সদস্য সচিব ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে তার বিরুদ্ধে পিএইচডি স্কলারশিপ-সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করে। অফিস আদেশে বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফেলোশিপ ট্রাস্ট তার পিএইচডি স্কলারশিপ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে। শিক্ষা ছুটি শেষে দেশে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করলেও তিনি পিএইচডি সনদপ্রাপ্তির তারিখ, ডিফেন্স-সংক্রান্ত সুপারভাইজারের প্রত্যয়নপত্র এবং ফেলোশিপ ট্রাস্টের ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একাধিকবার লিখিতভাবে যোগাযোগ করলেও তিনি কোনো জবাব দেননি বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় তার বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন এবং শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে মত দেন যে, তিনি সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগে সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়, ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/৬ নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফাতেমা খাতুনকে ২৩ জুন ২০২৬ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদ থেকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার দ্বারা গৃহীত অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।

তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসায় আলিম পরিক্ষার্থীদের গাইডলাইন ও দু’আ অনুষ্ঠিত।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ২৫,জুন ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার , তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসার আলিম পরিক্ষার্থীদের গাইডলাইন ও দু’আ এর আয়োজন করা হয়। তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জনাব হাবিবুল্লাহ মোহাম্মদ ইকবাল -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক স্কলার,মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব শায়খ ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, হেড মুহাদ্দিস,মাদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল জনাব ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন এর ভাইস চেয়ারম্যান শাহ ওলিউর রহমান চিশতি তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব ড. মীম আতিকুল্লাহ। অত্র প্রতিষ্ঠানের ভাইস প্রিন্সিপাল জনাব এরশাদুল্লাহ আজহারীর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ও তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর এইচ এম আবদুল্লাহ আল মামুন। অভিভাবকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ড. মতিউল ইসলাম। এবং আলোচনা রাখেন দারুল ফালাহ ছালেহিয়া সাহেব আলি ফাযিল মাদরাসার সম্মানিত প্রিন্সিপাল এবং হল সচিব,আলিম পরিক্ষা ২০২৬,আলহাজ্ব আবু জাফর মোঃ ছাদেক হাসান। অনুষ্ঠানে আলিম পরিক্ষার্থীদের সম্পাদিত “Riviving of lost glory” শীর্ষক দেয়ালিকার মোড়ক উন্মোচন করেন আগত মেহমানবৃন্দ। মানপত্র পাঠ করেন আলিম পরিক্ষার্থীর মেধাবি ছাত্র লুৎফর রহমান। এবং ছাত্রদের মধ্য থেকে আরো বক্তৃতা পেশ করে মাহদি হাসান এবং ইংরেজি বক্তব্য প্রদান করে খাইরুল বাশার। এবং আরো উপস্থিত ছিলেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন এর বিভিন্ন পর্যায়ের সম্মানিত কর্মকর্তা ও দায়িত্বশীলবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক কর্মকর্তা ও দায়িত্বশীলবৃন্দ। সর্বশেষ দু’আ পরিচালনা করেন অত্র অনুষ্ঠানের প্রধান মেহমান ও প্রধান আলচক শায়খ ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার।

মিটফোর্ড হসপিটালে চিকিৎসকদের উপর হামলা, চিকিৎসকদের প্রতিরোধে টয়লেটে আশ্রয় নিলেন জবি ছাত্রদল সভাপতি

রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (এসএসএমসি) মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে হাসপাতালের সার্জারি ভবনের চতুর্থ তলায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চিকিৎসকদের দাবি, ঘটনার সময় হিমেলের সঙ্গে আরও ১০-১২ জন ছিলেন। হামলার পর চিকিৎসকদের প্রতিরোধের মুখে তিনি হাসপাতালের একটি টয়লেটে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাকে সেখান থেকে বের করে আনে। ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (২৪ জুন) থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এসএসএমসি মিটফোর্ড হাসপাতাল ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) এক বিবৃতিতে জানায়, ১০-১২ জন ব্যক্তি সার্জারি বিল্ডিংয়ের ৪২৯ নম্বর কক্ষে প্রবেশ করে সহকারী রেজিস্ট্রার, ট্রেইনি ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর শারীরিক হামলা চালায়। সংগঠনটি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১ মার্চ হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানানো হলেও প্রায় চার মাস পার হলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর চার দফা দাবি জানিয়েছে আইডিএ। দাবিগুলো হলো— প্রতিটি ওয়ার্ড ইউনিটের বাইরে অন্তত চারজন পুলিশ সদস্য মোতায়েন, হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। আইডিএ জানিয়েছে, দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত জরুরি বিভাগসহ হাসপাতালের সব বিভাগে কর্মবিরতি চলবে। হাসপাতালের একাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, অসুস্থ এক রোগীকে হাসপাতালে আনার পর ভর্তি ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছু সময় লাগায় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে তারা দাবি করেন। একজন চিকিৎসক অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের পরিচয় দিয়ে চিকিৎসকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন। তবে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ডা. দেবাশীষ চক্রবর্তী বলেন, ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ফুটেজ না থাকায় হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন তারা। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মেহেদী হাসান হিমেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, রাতে হাসপাতালে একটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি।