সর্বশেষ নিবন্ধ

কোমরসমান পানিতে নেমে বন্যার্তদের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা

  ডেস্ক রিপোর্ট: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় প্লাবিত দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) উপজেলার গুনাগরি এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান তিনি। এ সময় কোনো আনুষ্ঠানিকতা বা নিরাপদ দূরত্বে না থেকে সরাসরি কোমরসমান নোংরা পানি মাড়িয়ে একের পর এক জলমগ্ন বাড়িতে ছুটে যান তিনি, যা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ডা. শফিকুর রহমান এলাকায় পৌঁছামাত্রই চারদিকে ‘দাদু আসছেন… দাদু আসছেন…’ বলে শোরগোল পড়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় এই সম্বোধনটি আজ মাঠপর্যায়ে বাস্তব রূপ নেয়। গাড়ি থেকে নেমেই তিনি প্রথমে লাবুর দোকানের পাশে অবস্থিত একটি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে যান। সেখানে গত তিন দিন ধরে পানিবন্দি হয়ে আশ্রয় নেওয়া শতাধিক পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এরপর তিনি নিজেই নেমে পড়েন বুক ও কোমরসমান পানিতে। অবরুদ্ধ বাড়িঘরগুলোর দরজায় কড়া নেড়ে ভেতরের শিশু ও বৃদ্ধদের খোঁজ নেন, তাঁদের হাতে সহায়তা তুলে দেন এবং পরম মমতায় কাঁধে হাত রেখে সাহস জোগান। নেতার এমন মানবিক রূপ দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি বন্যাকবলিত মানুষগুলো। গুনাগরির বাসিন্দা আহমেদ হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে আমরা পানির মধ্যে আছি। অনেকেই এসে দূর থেকে ছবি তুলে চলে গেছে। কিন্তু উনি আমাদের ঘরের ভেতর পর্যন্ত এসে খোঁজ নিয়েছেন। লাবুর দোকানের দ্বিতীয় তলায় আশ্রয় নেওয়া ফারাছা বেগম ও কিরণ বালা জলদাস জানান, ঘরের চাল পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়ায় তাঁরা শুধু প্রাণ নিয়ে বের হয়েছেন। এই কঠিন সময়ে দেশের এত বড় একজন নেতা তাঁদের কথা শুনতে সরাসরি পানির মধ্যে নেমে এসেছেন, এটাই তাঁদের বড় সান্ত্বনা। স্থানীয় তরুণ রুবেল হোসেন বলেন, নিরাপদ জায়গায় দাঁড়িয়ে ত্রাণ দিয়ে ফিরে না গিয়ে তিনি যেভাবে মানুষের ঘরে ঘরে গেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, গুনাগরির অন্তত ৩০০টি বাড়ি বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। তিন দিন ধরে ঘরছাড়া দুর্গত মানুষগুলো স্কুল, দোকান বা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা। এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমি এখানে রাজনীতি করতে আসিনি, বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি। চট্টগ্রামের এই ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট অনুভব করতেই আজ মাঠে নেমেছি। তিনি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে জোরালো আলোচনা করা হয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকেও ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, মানুষের আসল দুর্ভোগ কাগজে-কলমে বোঝা যায় না। মাঠে এসে না দেখলে এই কষ্ট অনুভব করা সম্ভব নয়। সরকারের উচিত দ্রুত উদ্ধার, পুনর্বাসন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা। এ সময় সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে নিহতদের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি। বক্তব্য শেষ করে তিনি আবারও পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের দিকে এগিয়ে যান।  

কুবির পাঁচ অনুষদে নতুন ডিন নিয়োগ

  কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাঁচ অনুষদে নতুন ডিন নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার (৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। অফিস আদেশে বলা হয়, সিন্ডিকেটের ১০৯তম ও ১১০তম সভার সিদ্ধান্তের আলোকে ডিন নিয়োগ–সংক্রান্ত গঠিত কমিটির প্রতিবেদন এবং আইন উপদেষ্টার পরামর্শের বিবেচনায় উপাচার্য নিম্নোক্ত পাঁচ শিক্ষককে ডিন হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন। নিয়োগপ্রাপ্ত পাঁচ জন ডিন হলেন— বিজ্ঞান অনুষদে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদার, কলা ও মানবিক অনুষদে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম, প্রকৌশল অনুষদে সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাছান এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক। এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, “আজকে ভিসি স্যারের নির্দেশে পাঁচটি ফ্যাকাল্টিতে ডিন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ডিন নিয়োগে বিভাগ রোটেশনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে পূর্বে সায়েন্স এবং সোশ্যাল সাইন্স ফ্যাকাল্টিতে ডিন নিয়োগে যে ব্যত্যয় ঘটেছে, সেটা কাটিয়ে উঠার জন্য সেই বিভাগগুলো থেকে ডিন দেওয়া হয়েছে। বিভাগ রোটেশনকে প্রাধান্য দিয়েই সামনেও ডিন নিয়োগ দেওয়া হবে।”   উল্লেখ্য,৬ জুলাই ২০২৬ থেকে তারা পরবর্তী দুই বছরের জন্য নিজ নিজ অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ডুয়েটে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত

ডুয়েট প্রতিনিধি,গাজীপুর। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক কোলাবোরেশনের ওপর একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডুয়েট ক্যারিয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ক্লাবের উদ্যোগে এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (IQAC)-এর সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। “Research Excellence, International Collaboration, and Higher Education: Pathways to Global Opportunities” শীর্ষক এই আয়োজনে প্রধান বক্তা ও মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক প্রফেসর ড. সাইদুর রহমান। তিনি বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির অধীন ‘রিসার্থ সেন্টার ফর ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজি’-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আরেফিন কাউসার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড. উৎপল কুমার এবং ডুয়েট আইকিউএসি-এর পরিচালক ড. মো. শফিকুল ইসলাম। সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষা অর্জনে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে গবেষণাভিত্তিক সেমিনার আরও বেশি আয়োজন করা উচিত। মেধা পাচারকে দেশের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী যখন গবেষণায় নিজেকে নিয়োজিত করবে, তখন তার সেই গবেষণার মাধ্যমে যেন দেশের অভ্যন্তরীণ ও স্থানীয় সমস্যাগুলোর বাস্তবমুখী সমাধান সম্ভব হয়, সেদিকেই সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হবে। তবেই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। মূল বক্তার বক্তব্যে প্রফেসর ড. সাইদুর রহমান একবিংশ শতাব্দীতে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গবেষণার অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, গবেষণার প্রথম ও প্রধান কাজ হলো চারপাশের বাস্তবমুখী সমস্যাগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করা। এরপর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও বাস্তবভিত্তিক ডেটা অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে সেগুলোর সমাধান রূপদান করতে হবে। আন্তর্জাতিক স্তরে নিজের গবেষণার গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে মানসম্মত স্কোপাস (Scopus) বা আইএসআই (ISI) ইনডেক্সড জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের ওপর জোর দেন তিনি। এর পাশাপাশি বিশ্বমানের গবেষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও যৌথ গবেষণার (Co-authorship) মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধির তাগিদ দেন ড. সাইদুর। উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্কলারশিপ প্রাপ্তির বিষয়ে সেমিনারে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। আলোচকবৃন্দ জানান, কমনওয়েলথ, ইরাসমাস মুন্ডাস বা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুল ফান্ডিং পাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাকাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি শক্তিশালী রিসার্চ প্রোফাইল বড় ভূমিকা রাখে। স্নাতক পর্যায়েই অন্তত একটি বা দুটি ভালো মানের রিসার্চ পাবলিকেশন থাকলে স্কলারশিপের রেসে অনেক এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। এর পাশাপাশি একটি গোছানো ও উদ্দেশ্যমুখী ‘স্টেটমেন্ট অব পারপাস’ (SOP) বা কভার লেটার তৈরি এবং আইইএলটিএস (IELTS) বা জিআরই (GRE)-র মতো ভাষাগত দক্ষতার পরীক্ষাগুলোর প্রস্তুতি আগে থেকেই সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়। ডুয়েট সিআরসি ক্লাবের আয়োজকবৃন্দ ও ডুয়েট আইকিউএসি জানায়, সেমিনারটিতে মূলত গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জনের কৌশল, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতার সুযোগ, বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি ও বৈশ্বিক একাডেমিক পরিমণ্ডলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ধরনের উদ্যোগ ডুয়েটে একটি সমৃদ্ধ গবেষণাবান্ধব পরিবেশ জোরদার করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ একাডেমিক ও পেশাগত পরিকল্পনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

গোবিপ্রবিতে ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও চেক প্রদান

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মাস্টার্স (থিসিস) ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও চেক প্রদান করা হয়েছে। আজ ৮ জুলাই ২০২৬ বুধবার দুপুর ১২টায় টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে বিশ^বিদ্যালয়ের রিসার্চ সেন্টারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোহেল হাসান। অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোহেল হাসান বিভিন্ন বিভাগের মাস্টার্স (থিসিস) ফেলোশিপপ্রাপ্ত ৬৩ শিক্ষার্থীদের হাতে জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে মোট ১২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এসময় অনুষ্ঠানের প্রধান উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, টাকার পরিমাণ সামান্য হলেও এর ইমপ্যাক্ট অনেক গভীর। এটা তাদের গবেষণা কর্মে উৎসাহিত করবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মের মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরে এ বিশ^বিদ্যালয়ের মান উজ্জ্বল করবে। সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান অত্র বিশ^বিদ্যালয়ে বলেন, এই ফেলোশিপ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহী হতে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানে শুভেচ্চা বক্তব্য রাখেন রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ শামসুল আরেফিন। সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মইনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

একদিনের উপাচার্য হলে,বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা

  মো:তাছিন জায়েফ,গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: ৮ জুলাই, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস স্মরণের উপলক্ষ নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবার একটি সময়। যদি একদিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়, তাহলে তারা কোন বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন?এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে বিভিন্ন বিভাগের পাঁচজন শিক্ষার্থীর মতামত অবকাঠামো, গবেষণা ও শিক্ষক সংকট সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে চান মো:জুবায়ের আহমেদ দুর্জয় পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ।শিক্ষাবর্ষ:২০২০-২১ চারটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান— ১. অসম্পূর্ণ অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন: বরাদ্দকৃত অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে অসম্পূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করা এবং দ্বিতীয় একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া। ২. গবেষণা ও ল্যাব উন্নয়ন: বিভাগভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী ক্লাসরুম সুষ্ঠু বণ্টন ও গবেষণাগারের উন্নয়ন, প্রয়োজনে অস্থায়ী ল্যাব স্থাপন এবং গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা। ৩. শিক্ষক সংকট সমাধান: একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখতে পর্যাপ্ত গেস্ট টিচার, প্রাক্তন মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া, যাতে শিক্ষকরা গবেষণায় আরও সময় দিতে পারেন। ৪. প্রতি সপ্তাহে/পাক্ষিককালে সকল ভিসিকে শিক্ষার্থীদের সম্মুখে সরাসরি জবাবদিহিতার ব্যবস্থা করা। ডিজিটাল সেবায় স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যাশা আইন বিভাগের ২০২১–২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানজিমুল হাসানের একদিনের জন্য উপাচার্যের দায়িত্ব পেলে ডিজিটাল রূপান্তর ও শিক্ষার্থীবান্ধব প্রশাসনকে অগ্রাধিকার দেবেন বলে জানান মোঃ তানজিমুল হাসান। তার তিনটি প্রধান উদ্যোগ— ১. ব্লকচেইন-ভিত্তিক ডিজিটাল সার্টিফিকেট: সনদ জালিয়াতি বন্ধ এবং চাকরিদাতাদের সহজে সনদের সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ দিতে ব্লকচেইন প্রযুক্তিভিত্তিক সার্টিফিকেট ব্যবস্থা চালু করা। ২. ডিজিটাল অভিযোগ ও সমাধান ব্যবস্থা: র্যাগিং, হয়রানি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ জানাতে নাম গোপন রেখে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করা এবং অভিযোগের অগ্রগতি ট্র্যাক করার ব্যবস্থা করা। ৩. অনলাইন ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা: ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন ও ফি প্রদানের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক করে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমানো। মানসিক স্বাস্থ্য, গবেষণা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে চান মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩–২০২৪ শিক্ষাবর্ষের সারোয়ার হোসেন তার তিনটি প্রধান উদ্যোগ— ১. Student Counseling & Mental Health Center প্রতিষ্ঠা: প্রশিক্ষিত মনোবিজ্ঞানীদের মাধ্যমে নিয়মিত কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সংকটকালীন সহায়তা নিশ্চিত করা। ২. গবেষণা ও বাস্তবমুখী শিক্ষা সম্প্রসারণ: গবেষণা, উদ্ভাবন, ফিল্ডওয়ার্ক, ইন্টার্নশিপ এবং আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তবমুখী শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা। ৩. ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়ন: ক্যারিয়ার গাইডেন্স, সফট স্কিল, নেতৃত্ব ও মানসিক সক্ষমতা উন্নয়নের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা। শিক্ষাবান্ধব অবকাঠামো ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দিতে চান৷ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪–২০২৫ শিক্ষাবর্ষের লামিয়া ইসলাম এক দিনের উপাচার্য হিসেবে তিনটি অগ্রাধিকার দিবেন বলে জানান যে, ১. বিভাগভিত্তিক সেমিনার লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা: প্রতিটি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী সেমিনার লাইব্রেরি স্থাপন, যাতে শিক্ষার্থীরা অবসর সময়ে পড়াশোনা ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে পারেন। ২. আধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণ: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, বিতর্ক ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের জন্য আধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া। ৩. শিক্ষাবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়ন: শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা। লাইব্রেরি, একাডেমিক সুবিধা ও স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে চান হুমাইরা জেমি এ এস ভি এম বিভাগ | শিক্ষাবর্ষ: ২০২৪–২০২৫ তার প্রধান উদ্যোগ গুলো— ১. সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উন্নয়ন: বিভাগভিত্তিক বইয়ের বিন্যাস, নতুন বই, গবেষণা জার্নাল ও ই-বুক সংযোজন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বসার স্থান বৃদ্ধি করা। ২. একাডেমিক সুবিধা সম্প্রসারণ: নতুন শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক ল্যাবরেটরি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করে শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা। ৩.স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন: শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উন্নত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ করা। পাঁচ শিক্ষার্থীর বক্তব্যে বিষয়ভিত্তিক অগ্রাধিকার ভিন্ন হলেও একটি জায়গায় সবাই একমত—একটি আধুনিক, শিক্ষার্থীবান্ধব ও গবেষণাকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে কার্যকর পরিকল্পনা, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে তাদের এই কল্পিত সিদ্ধান্তগুলোই যেন আগামীর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একগুচ্ছ বাস্তব প্রত্যাশার প্রতিফলন।

ব্রাজিল-নরওয়ের ম্যাচ দেখতে ড্যাফোডিলে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত

  ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্র, ইনসেটে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্র, ইনসেটে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচ উপভোগ করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এসেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন।   স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তিনি সহ নরওয়ের দূতাবাসের কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে জানানো হয়েছে। সোমবার মধ্যরাত ২টায় ব্রাজিল ও নরওয়ের ম্যাচ উপভোগ করতে রাষ্ট্রদূত ও তাঁর সফরসঙ্গীরা ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছেছেন। ম্যাচ শুরুর আগে তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন এবং ক্যাম্পাসের ফুটবলমুখর পরিবেশ ঘুরে দেখবেন।   ম্যাচ উপভোগের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ আল্লাইয়াসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। জানা যায়, বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের ম্যাচগুলোতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্রে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ফুটবলপ্রেমী দর্শক। প্রিয় দলের জার্সি, পতাকা, ব্যানার ও সমর্থকদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন। খেলার প্রতিটি মুহূর্তে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও আবেগ ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্যালারি জুড়ে। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ফুটবল উন্মাদনা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের প্রতিটি ম্যাচ ঘিরে শিক্ষার্থীদের উদযাপনের বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাংলাদেশের ফুটবল সংস্কৃতির প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগ্রহ সৃষ্টি করে। জানা গেছে, ফক্স সকার, ইএসপিএন এফসি, মার্কা, টিওয়াইসি স্পোর্টস, দিয়ারিও ওলে এবং জনপ্রিয় ফুটবল সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ও সাংবাদিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীদের ফুটবল উদযাপনের ভিডিও নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। এ ছাড়া ব্রাজিলের তারকা নেইমার জুনিয়রের প্রতিক্রিয়া, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ড্যাফোডিলের ব্রাজিল সমর্থকদের ভিডিও শেয়ার এবং ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীদের উদযাপনের দৃশ্য প্রকাশ পাওয়ায় বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও ব্যাপক আলোচনায় আসে। এর আগে রবিবার (২৯ জুন) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের মধ্যকার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ উপভোগ করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা। বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন ক্যাম্পাসে আসার আগে এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় ড্যাফোডিলিয়ানদের উদ্দেশে বলেন, ‘হ্যালো ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। আমি বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত। আজ রাতে নরওয়ে এবং ব্রাজিলের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি উপভোগ করতে আমি আপনাদের কাছে আসছি। আমি চাই, আমরা সবাই মিলে ভাইকিংদের মতো ‘নৌকা বাইচ’ (Viking Row) উদযাপনের ভঙ্গিতে আনন্দ করি। আপনারা নরওয়েকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা ব্রাজিলকে সেটি কোনো বড় বিষয় নয়। আমার বিশ্বাস, সবাই মিলে একসঙ্গে ম্যাচটি উপভোগ করাটাই সবচেয়ে দারুণ হবে। তাহলে প্রস্তুত তো? রো… রো… রো…। আজ রাতে দেখা হচ্ছে।’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ‘বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের মাননীয় রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেনকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি আমাদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্রাজিল বনাম নরওয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচটি উপভোগ করবেন। আপনি যে দলকেই সমর্থন করুন না কেন, দুই দলের সমর্থকদের সঙ্গে ফুটবলের এই উত্তেজনা, উন্মাদনা ও ক্রীড়াসুলভ চেতনা একসঙ্গে উদযাপন করতে চলে আসুন।’ শিক্ষার্থীদের মতে, রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ড্যাফোডিলের ফুটবল উদযাপনের ধারাবাহিক আলোচনায় আসা বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। তাদের ভাষ্য, ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়; এটি ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে মানুষকে একত্রিত করার এক বৈশ্বিক ভাষা।

জুলাই বিপ্লব স্মরণে ছাত্রশিবির প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পূর্ব শাখার কর্মসূচি

জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ছাত্রশিবির প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পূর্ব শাখাও বিভিন্ন স্মারক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও সচেতনতামূলক আয়োজন বাস্তবায়ন করবে। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি গার্ডেন’ স্থাপন, শহীদদের নামে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা, ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’, ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ এবং ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি সাঁতার প্রতিযোগিতা’ আয়োজন। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দিতে “July Memorial Meritorious Award” প্রদান, ‘জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ২য় বছর’ শীর্ষক সেমিনার এবং “Echoes of July” শিরোনামে ৩৬ দিনব্যাপী অনলাইন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে। কর্মসূচির আরও অংশ হিসেবে জুলাইয়ের শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি “জুলাইয়ের অঙ্গীকার, ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণ” শীর্ষক আলোকচিত্র ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী ‘অদম্য জুলাই’ শিরোনামে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিও পালন করা হবে। ছাত্রশিবির প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পূর্ব শাখার নেতারা জানান, জুলাই বিপ্লবের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া, শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ এবং ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যাশা সামনে রেখেই এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

গোবিপ্রবির জীববিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন সহযোগী অধ্যাপক ড. খোকন কুমার দত্ত


গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খোকন কুমার দত্তকে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনাউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ২৩(৫) ধারা অনুযায়ী বিএমবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খোকন কুমার দত্তকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। এবিষয়ে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক ড. খোকন কুমার সাহা বলেন, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তার জন্য আমি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই যে ওনারা আমাকে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। আমার আগ্রহ হলো এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অনুষদের যেসব ডিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আছে সবার সহযোগিতায় যাতে আমরা একসাথে একটা পরিবর্তন আনতে পারি বা ভালোর দিকে যেতে পারি সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করব। স্টুডেন্টদের যেন সুবিধা বৃদ্ধি পায় সেজন্য এবং ভালো ফলাফল টা বৃদ্ধি পায় এটা আমি প্রত্যাশা করি। ” ল্যাব ও গবেষণা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাব ও গবেষণার জন্য যা কিছু আছে তা খুব একটা পর্যাপ্ত না হলেও এটা দিয়ে অনেক কাজ করা সম্ভব কিন্তু আমাদের এখানে তা হয়না। আমি এগুলো ব্যবহার করে গবেষণার জন্য শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করবো যেন তারা ভালো কিছু শিখতে পারে। ‘ এ দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বিধি মোতাবেক ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পাবেন। এছাড়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিয়োগটি ২৮ জুন থেকে কার্যকর হবে। তবে তাঁকে আনুষ্ঠানিক যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে কুবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন ও দ্রোহের গান পরিবেশন

  কুবি প্রতিনিধি: রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কুমিল্লার যাত্রার প্রথম দিন স্মরণে এবং আন্দোলনে শহীদ, আহত ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) মোমবাতি প্রজ্বলন ও দ্রোহের গান পরিবেশন করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শনিবার (৪ জুলাই) প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য ও জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ, কুবি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির অন্যতম সংগঠক নাঈম ভূঁইয়া, আহমেদ আব্দুল্লাহ তারেকসহ অন্যান্যরা। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ‘ইনকিলাব, ইনকিলাব, জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’, ‘সাঈদ-ওয়াসিম-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘চব্বিশের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘লড়াই, লড়াই, লড়াই চাই; লড়াই করে বাঁচতে চাই’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘কোটা না মেধা—মেধা, মেধা’, ‘বিচার চাই, বিচার চাই; খুনি হাসিনার বিচার চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। কুবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সমন্বয়ক নাঈম ভুঁইয়া বলেন , ‘কুবি তথা কুমিল্লার জুলাই যাত্রার সূচনা ৪ জুলাই। তাই আজকের দিনের প্রথম প্রহরে কুবি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে আমরা মোমবাতি প্রজ্বলন ও দ্রোহের গান আয়োজন করি। আজকের এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুম ভাইকে, এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদকে। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেই সব সাহসী সহযোদ্ধাদের, যারা জুলাই আন্দোলনে হাত, পা কিংবা চোখ হারিয়েছেন অথবা ছোট-বড় নানা ধরনের আহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘স্মরণ করছি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী বিশেষ করে ১১ই জুলাইয়ে আমাদের ঢাল হয়ে আসা প্রতিরোধকারী নারী শিক্ষার্থীদের। , এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের। কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই সব পরিবারকে, যারা সংকটময় সময়ে আমাদের আশ্রয় দিয়ে জীবন রক্ষা করেছিলেন। বিশেষভাবে স্মরণ করছি দেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের, যাদের অবদানও ছিল অনন্য ও অতুলনীয়। জুলাইয়ের স্প্রিট টিকে থাকুক জনম জনম। এবং ফ্যাসিবাদী শক্তি বিলোপে প্রজন্মের পর প্রজন্ম জেগে উঠবে জুলাই উদ্দীপনায়।, জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জুলাই আন্দোলনে সাহস জুগিয়েছে, পুলিশ গুলি চালালেও তারা দমে যায়নি। বরং তারা পুরো দেশের কাছে বার্তা দিয়েছে যে এই লড়াই পুরো রাষ্ট্রের, জনগণের , সকল শ্রেণির পেশার মানুষের এবং সকল বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই।’ তিনি আরো বলেন, ‘একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠন করার লক্ষ্যে এবং একটি মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করার নিমিত্তেই আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করেছি। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই আমাদের চলবেই এবং আমাদের চুড়ান্ত বিজয় তখনই হবে যখন আমরা সংস্কারের বাংলাদেশ গঠন করতে পারব।’ জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ্ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান অনস্বীকার্য। জুলাই কোন রাজনৈতিক দলের না, এটি সকল আপামর জনতার। জুলাইয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে আমরা আবার যেন জুলাইকে স্মরণ করি এবং সেই চিন্তা থেকেই যেন দেশের স্বার্থে কাজ করি।’

আবাসন সংকট নিরসনে ১৪ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ইউজিসি’র

  দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে কর্মচারীদের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে ১৪ তলা বিশিষ্ট একটি আবাসিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। রাজধানীর মিরপুর-১৪ এলাকায় ইউজিসির আবাসিক কমপ্লেক্সে ভবনটি নির্মাণ করা হবে। প্রস্তাবিত ভবনটিতে ৫২টি ফ্ল্যাট থাকবে। এতে ইউজিসির ৫২টি কর্মচারী পরিবার বসবাসের সুযোগ পাবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ করে বসবাসের উপযোগী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে মিরপুরের ওই আবাসিক এলাকায় কর্মচারীদের জন্য ৪০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। নতুন ভবনটি নির্মিত হলে ইউজিসির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আবাসন সংকট অনেকাংশে দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভবনে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য ৮০০ বর্গফুট এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য ৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। বেসমেন্টসহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধাও ভবনটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রকল্পটির ধারণাপত্র, বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি), স্থাপত্য নকশা ও কাঠামোগত নকশা আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রণয়ন করবে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)। এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার ইউজিসি ও ডুয়েটের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ডিপিপি অনুমোদনের পর উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভবন নির্মাণের ঠিকাদার নির্বাচন করা হবে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা কমিশনের অন্যতম অগ্রাধিকার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডুয়েটসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, দক্ষতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে ভবনটি বসবাসের উপযোগী করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ভবনের ধারণাপত্র, ডিপিপি, কাঠামোগত নকশা ও স্থাপত্য নকশা নির্ভুলভাবে এবং দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে, যাতে নির্মাণকাজে কোনো ধরনের বিলম্ব না হয়। ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ইউজিসি যে আস্থা রেখে ডুয়েটকে প্রকল্পটির দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ডিপিপিসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। ডুয়েট উপাচার্য আরও বলেন, ডুয়েটে দক্ষ প্রকৌশলী ও স্থপতি রয়েছেন। দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউজিসিকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বের অংশ। সভায় জানানো হয়, জি-টু-জি পদ্ধতিতে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, জ্বালানি-সাশ্রয়ী নকশা এবং আধুনিক স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করা হবে। ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কর্মচারীদের আবাসন-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা অনেকটাই দূর হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পটি ইতিমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনের সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন শেষে দ্রুত বাস্তবায়নকাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, জেনারেল সার্ভিসেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরিচালক জাফর আহম্মদ জাহাঙ্গীর, ইউজিসি আবাসিক এলাকা কল্যাণ কমিটির সভাপতি মো. শাহীন সিরাজ, ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ড. মো. মহিবুল আহসান, কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মোক্তার জামান স্বাধীন এবং ইউজিসি ও ডুয়েটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।