সর্বশেষ নিবন্ধ

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে কুরআন বিতরণ ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

  সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধি: সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রিফ্লেকশন অন আল-কুরআন’ শীর্ষক আলোচনা সভা। এসইইউ আল উম্মাহ ফোরাম (SEU Al Ummah Forum)-এর আয়োজনে ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ই অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআনের তাৎপর্য এবং আধুনিক জীবনে এর বাস্তবিক প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল-কুরআন একাডেমি লন্ডন-এর চেয়ারম্যান ড. হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড.ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল কোরআন রিফ্লেকশন সেন্টার-এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ নুরুন্নবী এবং কর্নেল মোস্তফা রাসেল আল রশিদ (এলপিআর, পিবিজিএমএস)। মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড.ইউসুফ মানব জীবনে কুরআনের বাস্তব প্রয়োগের ওপর একটি অসাধারণ সেশন পরিচালনা করেন। বিশেষ অতিথিবৃন্দ পবিত্র কুরআনের অপরিহার্যতা নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন, যা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর প্রভাব ফেলেছে। অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির পরিচালক মোহাম্মদ তাহমিদ হাসানের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এছাড়া, আল-কুরআন একাডেমি লন্ডন-এর পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কুরআনের অনুবাদসহ অনুলিপি বিতরণ করা হয়েছে।

ডুয়েটে রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ ও অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের সিট বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

  মোঃ রুবেল হোসেন ডুয়েট প্রতিনিধি,গাজীপুর। রাজনীতি নিষিদ্ধ ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর ক্যাম্পাসে ছাত্রদল,ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির তৎপরতা ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) রাত ৯টায় ডুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী অংশ নেন এবং ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য ডুয়েট প্রসাশনের কাছে দাবি জানায়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো— ১) ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধের বিদ্যমান সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে কার্যকর করা, ২) অবৈধ ও অনিয়মিত হল সিট বরাদ্দ বাতিল করা, ৩) দখলকৃত হল সিট উদ্ধার করে প্রকৃত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা। শিক্ষার্থীরা জানান,এসব দাবির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তারা একটি শান্তিপূর্ণ, শিক্ষাবান্ধব ও সুশৃঙ্খল ক্যাম্পাস গঠনে সকলের অংশগ্রহণ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষার্থীরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আইইউবিএটির সমঝোতা স্বাক্ষর

  আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। চীনের ইউনান ইউনিভার্সিটির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে এ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সফল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আইইউবিএটির পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুর রব এবং ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মা ওয়েনহুই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ অংশীদারিত্ব উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা জোরদারের একটি যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা কার্যক্রম এবং উদ্ভাবন। এ সহযোগিতার একটি বিশেষ দিক হলো পারেনিয়াল রাইস গবেষণা উন্নয়ন এবং আইইউবিএটে একটি নিবেদিত গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, যা টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মা ওয়েনহুই; আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বিনিময় দপ্তরের পরিচালক ড. উ ইউয়ান; অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মি. হু জিয়ানফেং; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের উপ-পরিচালক অধ্যাপক ঝাং শিলাই; আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইনস্টিটিউটের ভাইস ডিন ড. লুও ওয়েইওয়েই; নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা ভাষার প্রভাষক লিউ ওয়েনলি; এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক ইয়াং হুই। আইইউবিএটির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুর রব। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস; পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মো. জাহিদ হোসেন (অব.); রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মমতাজুর রহমান; অধ্যাপক ড. মোজাফ্ফর এ. চৌধুরী, ডিন, আইবিএস; কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সায়েন্সেস-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন; সমন্বয়কারী ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম; অধ্যাপক ড. ফারজানা সুলতানা; আন্তর্জাতিক প্রোগ্রাম অফিসের পরিচালক মো. সাদেকুল ইসলাম; মিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাজল সাহা; এবং ব্র্যান্ডিং অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস অফিসের পরিচালক মো. আলামিন সিকদার শিহাব। এ সমঝোতা স্মারক বৈশ্বিক একাডেমিক অংশীদারিত্ব জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষতা, উদ্ভাবন ও প্রভাবভিত্তিক গবেষণায় আইইউবিএটির অব্যাহত অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে।  

“Earth Pulse 1.0” কর্মসূচিতে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ: পরিবেশ সচেতনতায় নতুন দৃষ্টান্ত।

সাঈদুল ইসলাম ইমন,উত্তরা ইউনিভার্সিটি: “বিশ্ব পৃথিবী দিবস ২০২৬” উপলক্ষে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের Environment and SDG Club-এর উদ্যোগে আয়োজিত “Earth Pulse 1.0” কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসজুড়ে প্রায় ১৫০টি গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত রেজিস্ট্রার, ট্রেজারার, Office of Student Affairs (OSA)-এর ডিরেক্টরসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতি ও উৎসাহ অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আয়োজকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের উদ্যোগ একটি সবুজ, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ক্যাম্পাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি সাইদুল ইসলাম ইমন বলেন, গাছ আমাদের অত্যন্ত উপকারী এক বন্ধু হওয়া সত্ত্বেও সুযোগ পেলেই আমরা তাদের উপরে ফেলি। তবে আজকের এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভূ-স্পন্দনকে হৃদস্পন্দনের সাথে সংযোগ ঘটানোই আমাদের লক্ষ্য।” সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।” আয়োজকরা জানান, এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিত আয়োজন করা হবে, যা তরুণ প্রজন্মকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল করে তুলতে সহায়তা করবে।

তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের নিয়ে গাইডলাইন ও দু’আ অনুষ্ঠিত

তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদ্রাসার ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের নিয়ে  (১৬ এপ্রিল ২০২৬,বৃহস্পতিবার) গাইডলাইন ও দু’আ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার মুহতারাম সাবেক অধ্যক্ষ, প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন, শাইখ যায়নুল আবেদিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল জনাব ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব ড. মীম আতিকুল্লাহ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আমানত উল্লাহ এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ও তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর এইচ এম আবদুল্লাহ আল মামুন। উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশন পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহের শাখা প্রধান গন ও বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক দায়িত্বশীল, শিক্ষক, কর্মকর্তা, অভিভাবকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে দাখিল পরীক্ষার্থীদের সম্পাদিত “মুক্তির ইশতিহার”শীর্ষক দেয়ালিকার মোড়ক উন্মোচন করেন আগত মেহমানবৃন্দ। মানপত্র পাঠ করেন দাখিল পরীক্ষার্থী মেধাবি ছাত্র মাহফুজুর রহমান ফাহিম। দাখিল পরীক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান ফাহিম ও কাজি আব্দুল্লাহর উপস্থাপনায় এতে ছাত্রদের মধ্য থেকে অনুভুতি প্রকাশ করে আলিম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী লুতফর রহমান দাখিল পরিক্ষার্থী ছাত্রদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখে কাজী আব্দুল্লাহ [আরবী] নাইফ নুওয়াইসির ভুইয়া মুসআব[ইংরেজি]। সবশেষে দু’আ পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও আলেমেদ্বীন তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা যাইনুল আবেদিন

ন্যাশনাল ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ন্যাশনাল ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত ঢাকা: ন্যাশনাল ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (এনপিএ)-এর উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ও জ্ঞানভিত্তিক সায়েন্টিফিক সেমিনার সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল— “Career Opportunities and Professional Development of Pharmacists for Nation Building”। গত ১৪এপ্রিল, রাজধানীর খামারবাড়িস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট কমপ্লেক্সে আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এনপিএ-এর সভাপতি জনাব সাইফুল আমিন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন জেনারেল সেক্রেটারি মো: জাহাংগীর আলম। আয়োজিত সেমিনারে দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন, যা অনুষ্ঠানটিকে অংশগ্রহণমূলক ও প্রানবন্ত করে তোলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমেরিটাস প্রফেসর ও ফার্মেসি কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান। কী-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এনপিএ’র সভাপতি ও বায়োফার্মা লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ সাইফুল আমিন। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB)-এর ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সিদ্দিকুল ইসলাম।

সেমিনারে বক্তারা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফার্মাসিস্টদের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব ও সম্ভাবনা নিয়ে গভীর আলোচনা করেন। তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বৈশ্বিক ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে, যেখানে দক্ষ ও যোগ্য ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওষুধ উৎপাদন, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D), হাসপাতাল ও ক্লিনিক্যাল সেবা, সবক্ষেত্রেই ফার্মাসিস্টরা দেশের স্বাস্থ্যখাতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।  

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে কুরআন বিতরণ কর্মসূচিতে কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা

  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত কুরআন বিতরণ কার্যক্রমের অনুমোদনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। শিক্ষার্থীরা জানায়, গতবছর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কুরআন অবমাননার প্রতিবাদে গতবছর ১২অক্টোবর উপাচার্যের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে ৫০০কপি কুরআন বিতরণ করা হয়। সেসময় শিক্ষার্থীদের চাহিদার তুলনায় কুরআন বিতরণ করতে পারেনি। তাই এবছর সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি আল উম্মাহ সোসাইটির মাধ্যমে তারা ১০০০ কুরআন সংগ্রহ করে। এবং ০৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে একটি সীরাত সেমিনার ও কুরআন বিতরণ কার্যক্রমের অনুমতি চেয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করে। কিন্তু এক সপ্তাহ পরে জানিয়ে দেয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কোন ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা যাবে না। আয়োজক কমিটির পক্ষে কম্পিউটার সাইন্স ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী তাহমিদ জানায়, আবেদনের বিষয়ে জানতে আমরা প্রতি ডিপার্টমেন্ট থেকে একজন করে প্রতিনিধি রেজিস্ট্রার অফিসে যাই। কিন্তু ওনারা স্পট জানিয়ে দেয়, “ক্যাম্পাসে কোনো ধর্মীয় প্রোগ্রাম করতে দেওয়া হবে না”।কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, অন্য ধর্মাবলম্বীরাও প্রোগ্রাম করতে চাইবে এবং এতে বিশৃঙ্খলা হতে পারে।

ধ্রুপদী ঔপন্যাসিক ফয়েজ তৌহিদুল ইসলামের সাম্প্রতিক সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক ১২ ই এপ্রিল রোজ রবিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার হলে ধ্রুপদী ঔপন্যাসিক ফয়েজ তৌহিদুল ইসলামের সাম্প্রতিক সাহিত্যকর্ম নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনা সভায় সভাপতি হিসেবে ছিলেন বিচারপতি মাহবুব উল ইসলাম, গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কবি। এই সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান, লেখক ও চিন্তাবিদ। এই ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জনাব মোস্তফা কামাল, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক। এই ছাড়া উপস্থিত ছিলো শিক্ষার্থী, লেখক, কবি সহ আরো অনেকে শ্রোতা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে আলোচক জনাব মোস্তফা কামাল বর্তমান সাহিত্যকে ধারণ করার আহ্বান করেছেন। তাছাড়া অনেক বক্তা বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে খুব সুন্দর ভাবে আলোচনা করেছেন। সর্বশেষ মুখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন রবীন্দ্রনাথ, নজরুল এবং বাকি কবিদের সম্পর্কে সুন্দর মন্তব্য করেছেন। তিনি স্বাধীনতা সম্পর্কে তিনি খুবই সুন্দর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। সকল আলোচকের বক্তব্য শেষে প্রশ্ন উত্তর পর্ব রাখা হয়। এরপর একটি ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয় এই আলোচনা সভা।

সেচ ভবনে ফিলাটেলিক মেলা অনুষ্ঠিত!

এস. এম. এম. মুসাব্বির উদ্দিন। ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ শুক্রবার   রাজধানীর সেচ ভবনে ঢাকা ফিলাটেলিক ক্লাবের ৫ম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ফিলাটেলিক মেলা উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিদেশ থেকেও আগত সংগ্রাহক ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে পুরো প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ওঠে। আয়োজকদের সূত্রে জানা যায়, ফিলাটেলি বা ডাকটিকিট সংগ্রহের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং সংগ্রাহকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। মেলার উদ্বোধন করেন সংশ্লিষ্ট অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। উদ্বোধনী পর্বে ফিলাটেলির ইতিহাস, গুরুত্ব এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর সম্ভাবনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় নতুন ও পুরোনো ডাকটিকিটের সমৃদ্ধ সংগ্রহ ছিল প্রধান আকর্ষণ। বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের বিরল ডাকটিকিট সংগ্রাহকেরা প্রদর্শন করেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের কাগুজে টাকা ও মুদ্রা, পুরোনো ও স্মারক ব্যাজ, অ্যানালগ ক্যামেরা, পদক, প্রাচীন মুদ্রা এবং ঐতিহাসিক পত্রিকার সংগ্রহ দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়ে। কিছু স্টলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিশেষ ডাকটিকিট ও স্মারক সামগ্রীর সংগ্রহও প্রদর্শিত হয়, যা দর্শকদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ সৃষ্টি করে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা এসব সংগ্রহ ঘুরে দেখার পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয়েও সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। অনেকেই নিজের সংগ্রহ সমৃদ্ধ করতে বিরল ডাকটিকিট ও পুরোনো মুদ্রা কিনতে আগ্রহ দেখান। বিক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম ও আলোচনা মেলাটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। রাজধানীর বাইরে থেকেও বহু সংগ্রাহক মেলায় অংশ নেন। তাঁদের মতে, এ ধরনের আয়োজন সংগ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে, যেখানে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং নতুন সংগ্রহ সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হয়। বিদেশি সংগ্রাহকদের উপস্থিতিও মেলায় আন্তর্জাতিক মাত্রা যোগ করে। মেলায় অংশ নেওয়া একাধিক সংগ্রাহক জানান, ফিলাটেলি শুধু শখ নয়, বরং ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ডাকটিকিট ও মুদ্রার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্য, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে জানা যায়। তাই এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসচর্চায় আগ্রহী করতে ভূমিকা রাখতে পারে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক মানের ফিলাটেলিক মেলা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়। মেলা শেষে অংশগ্রহণকারী সংগ্রাহক ও দর্শনার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের আয়োজন নিয়মিতভাবে আয়োজনের দাবি জানান। তাঁদের আশা, এমন উদ্যোগ দেশের সংগ্রহশিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ সৃষ্টি করবে।    

৮ এপ্রিল:  বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস “নতুন দিনের অঙ্গীকার, স্কাউটিং হোক সবার”

  জাহিদুল হক শ্রাবণ কেউ ডাকেনি। তবুও এসেছিল বন্যার জল যখন হাঁটু ছাড়িয়ে কোমর, যখন রাস্তা নেই, আলো নেই, ভরসা নেই তখন দেখা গেছে একদল ছেলেমেয়ে। পিঠে ব্যাগ, হাতে টর্চ, বুকে খাকি পোশাক। কেউ বেতন দেয়নি, কেউ আদেশ করেনি। শুধু একটা বিশ্বাস ছিল ভেতরে “আমি পারি। আমাকেই যেতে হবে।”এরাই স্কাউট। ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস। এক গৌরবময় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ স্কাউটস গঠনের নির্দেশ দিয়ে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ যখন নিজেকে গড়ে তুলছিল, তখন এই কিশোর-তরুণরা হাতে তুলে নিয়েছিল দেশ গড়ার স্বপ্ন। পরবর্তীতে ২০২০ সালে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ২৪৮তম সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ৮ এপ্রিল “বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস” হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ বছর ষষ্ঠবারের মতো দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে এই দিবসটি। বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস ২০২৬-এর থিম “নতুন দিনের অঙ্গীকার, স্কাউটিং হোক সবার” স্কাউট আন্দোলনের জনক লর্ড রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল বলেছিলেন, একজন স্কাউট কখনো তার যাত্রা শেষ করে না, শুধু পথ বদলায়। বাংলাদেশের স্কাউটরাও তাই। পাহাড় থেকে উপকূল, শহর থেকে গ্রাম যেখানে বিপদ, সেখানে স্কাউট। যেখানে অন্ধকার, সেখানে তাদের আলো। এই স্কাউটদের দল কেবল ক্যাম্পফায়ারের চারপাশে গান গায় না। এটি এক জীবনদর্শন, এক মানবিক আন্দোলন। দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ায়, সমাজে সচেতনতা গড়ে তোলে, পরিবেশ রক্ষায় কাজ করে এবং দেশের জন্য নিজেকে নিবেদন করে। তাদের জীবনের মন্ত্র একটাই “সদা প্রস্তুত” আজ বাংলাদেশে ২২ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত স্কাউট রয়েছে। এই সংখ্যাটি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয় এটি একটি জাতির বিবেকের পরিমাপ। এই দিনে আমরা স্কাউট আন্দোলনে অবদান রাখা সকলকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি, যাঁদের নিরলস প্রচেষ্টায় গড়ে উঠছে দায়িত্ববান, সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক। ফ্লোর-ডি-লিস ফুলের তিনটি পাপড়ি। সেবা, সততা ও ভ্রাতৃত্ব। এই তিনটি মূল্যবোধ যদি আমাদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে আর কোনো অন্ধকার থাকবে না। আসুন, এই স্কাউটস দিবসে আমরা শপথ নিই নিজেকে গড়ি, দেশকে ভালোবাসি। দেশের প্রতিটি কোণে যে স্কাউট নিঃশব্দে কাজ করে যাচ্ছে তাদের প্রতি সালাম। তুমি এই দেশের আলো। ৮ এপ্রিলে তোমাকেই অভিবাদন। যে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে, যে নীরবে মানবতার পাশে দাঁড়ায়, যে নিজেকে গড়ে তোলে দেশের জন্য। লেখক: জাহিদুল হক অগ্নিবীণা রেলওয়ে মুক্ত স্কাউট গ্রুপ, বাংলাদেশ স্কাউটস আখাউড়া রেলওয়ে জেলা।