২৩ বছরে হাবিপ্রবি

0
218

উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত দেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে এক বর্ণাঢ্য ও গর্বিত ঐতিহ্যের প্রতীক হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।

১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিনাজপুরের গৌরে শহীদ ময়দানে তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বিশাল জনসভায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ কৃষি কলেজকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হাবিপ্রবির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়টির মূলত নামকরণ করা হয় তেভাগা আন্দোলনের নেতা হাজী মোহাম্মদ দানেশের নামানুসারে।

আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়টি ২৩ বছরে পদার্পণ করল।

বর্তমানে হাবিপ্রবিতে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে ৯টি অনুষদের আওতায় ৪৫টি বিভাগ, ৩২৪ জন শিক্ষক, ২১৪ জন কর্মকর্তা। পোস্টগ্র্যাজুয়েট অনুষদের অধীনে ৪০টি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ১২টি বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়। হাবিপ্রবির রয়েছে একটি অধিভুক্ত কলেজ, একটি ইনস্টিটিউট ও একটি প্রাইমারি বিদ্যালয়।

হাবিপ্রবির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম কামরুজ্জামান সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘দীর্ঘসময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় হাবিপ্রবির রজতজয়ন্তীতে আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে কনভোকেশন আয়োজনসহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নানাবিধ ক্ষেত্রে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজন করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিতে যাচ্ছি। এ ছাড়া গবেষণা কার্যক্রমকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে একটি অত্যাধুনিক সেন্ট্রাল ল্যাব তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সেশনজট কমাতে ইউজিসির গাইডলাইন অনুসরণ করে আমরা সেমিস্টার সিস্টেমকে পুনর্বিন্যাস করার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি। কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে একাডেমিক কাউন্সিল ও রিজেন্ট বোর্ডের অনুমোদনক্রমে আমরা সেশনজট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হব বলে প্রত্যাশা করছি।

প্রতিউত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন